indobokep borneowebhosting video bokep indonesia videongentot bokeper entotin videomesum bokepindonesia informasiku videopornoindonesia bigohot

একাধিক সহীহ হাদীসে ঈসা (আঃ) ‘আকাশ থেকে’ নাযিল হওয়ার দলিল

0

একাধিক সহীহ হাদীসে ‘আকাশ থেকে’ হযরত ঈসা (আঃ)-এর দ্বিতীয়বার আগমনঃ

লিখক প্রিন্সিপাল নুরুন্নবী

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম   

আজ আপনাদের জানান দেব পবিত্র হাদীস শরীফে ঈসা (আঃ) বর্তমানে জীবিত থাকা এবং তাঁর দ্বিতীয়বার আগমন বিষয়ে কিরূপ শব্দচয়নে উল্লেখ পাওয়া যায়!

জ্ঞানীদের নিকট নিশ্চয়ই গোপন থাকেনি যে, ইসলামের প্রথম যুগ থেকেই মুসলিম উম্মাহার মাঝে তাওয়াতূরধারায় যেই বিশ্বাস চলে আসছে সেটি হচ্ছে, আল্লাহতায়ালা হযরত ঈসা (আঃ)-কে দ্বিতীয় আকাশে সশরীরে জীবিত উঠিয়ে নিয়েছেন। সূরা নিসা’র ১৫৭ নং আয়াত “বাল রাফা’আহুল্লাহু ইলাইহি” দ্বারা এটি একদম সুস্পষ্ট।

আফসোস! কাদিয়ানিরা উক্ত আয়াতের প্রকৃত মর্মার্থ থেকে মানুষের দৃষ্টিকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে দিতে মুসলমানদের পালটা প্রশ্ন করে ‘আল্লাহর দিক কোনটি’? ঈসা (আঃ)-কে আল্লাহ তিনি তাঁর কোন দিকে তুলে নিলেন?

প্রতিউত্তরে বললাম, আপনার উক্ত প্রশ্নের সম্পূরক জবাবে আরেকটু পরে আসছি। তার আগে আমাকে বলুন, যেই আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তিনি ঈসা (আঃ)-কে তাঁর নিজের দিকে তুলে নিয়েছেন (সূরা নিসা ১৫৭) বললেন তার ব্যাখ্যায় রঈসুল মুফাসসিরীন হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, ইহুদীরা যখন ঈসা (আঃ)-কে পাকড়াও করতে একত্রিত হল তখন আল্লাহতায়ালা ঈসাকে উদ্দেশ্য করে জানিয়ে দিলেন,

بانه يرفعه الى السماء و يطهره من صحبة اليهود

অর্থাৎ নিশ্চয়ই তিনি তাঁকে (ঈসা) আকাশে তুলে নেবেন এবং ইহুদীদের নাগাল পাওয়া থেকে তাঁকে মুক্ত রাখবেন। দেখুন, ইমাম নাসায়ী সংকলিত ‘আস-সুনানুল কুবরা‘ হাদীস নং ১১৫৯০; তাফসীরে বায়দ্বাভী, খন্ড নং ২ পৃষ্ঠা নং ১৮১। সংক্ষেপে। সুতরাং আয়াতের মর্মবাণী রাসূল (সাঃ) এর সুযোগ্য সাহাবীর ব্যাখ্যায় একদম সুস্পষ্ট হয়ে গেল কিনা? জানি এর পরেও মানবেন না!

সে যাইহোক, এবার আপনার প্রশ্নের দ্বিতীয় জবাবে আসা যাক। আপনার প্রশ্নের উদ্দেশ্য যদি ঈসা (আঃ)-কে “আল্লাহ তিনি তার নিজের দিকে তুলে নিয়েছেন” বলতে “আকাশে” তুলে নেয়া না হয়, তাহলে আপনার নিকটও আমার একই প্রশ্ন থাকবে যে, সূরা আল মা’আরিজ এর ৪ নং আয়াতে আছে, “ফেরেশতারা এবং (তাদের নেতা) রূহ (জিবরাইল) আল্লাহর দিকে আরোহন করে এমন একটি দিনে যার পরিমাণ (তোমাদের) পঞ্চাশ হাজার বছর।” (আল-কুরআনঃ ৭০: ০৪)

এখানে ফেরেশতা আর তাদের দলনেতা জিবরাইল “আল্লাহর দিকে” মানে যদি “আকাশে” আরোহন করা উদ্দেশ্য না হয়, তাহলে এঁরা “আল্লাহর কোন দিকে” আরোহন করতেন বুঝাল?

এবার ‘মিনাস সামায়ী’ (আকাশ থেকে) শীর্ষক দশখানা হাদীস দেখুনঃ

(১) নুযূলে ঈসা বা ঈসার অবতারণঃ সহীহ বুখারী এবং সহীহ মুসলিমে এসেছে, শপথ খোদাতায়ালার যার হাতে আমার প্রাণ, নিশ্চয় অচিরেই ইবনে মরিয়ম তোমাদের মাঝে একজন ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবে নাযিল হবেন। (দেখুন, সহীহ বুখারী, কিতাবুল আম্বিয়া, হাদিস নং ৩২৬৪।) সংক্ষেপে।

উল্লেখ্য, অনরূপভাবে সহীহ মুসলিম শরীফ –এর ‘কিতাবুল ফিতান’ অংশে একদম পরিস্কারভাবে উল্লেখ আছে ‘ঈসা (আঃ) দু’জন ফেরেশতার দুই পাখার উপর আপনা দুই হাত রেখে পৃথিবীতে অবতরণ করবেন।’ (হযরত সাওবান রাঃ হতে বর্ণিত)। 

(২) আকাশ থেকে নাযিল হওয়াঃ বিশিষ্ট হাদীস বিশারদ ইমাম বায়হাক্বী (রহঃ) কর্তৃক ২ খন্ডে সংকলিত হাদীসের কিতাব ‘আল-আছমা ওয়াছ ছিফাত’ -তে এসেছে, রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেছেন,

كيف انتم اذا نزل ابن مريم من السماء فيكم و امامكم منكم

অর্থাৎ তখন তোমাদের কেমন হবে যখন ঈসা ইবনে মরিয়ম আকাশ থেকে তোমাদের মাঝে নাযিল হবেন এবং তোমাদের ইমাম (মাহদী) তোমাদের-ই মধ্য থেকে হবেন। (দেখুন, ইমাম বায়হাক্বী সংকলিত ‘আল আসমা ওয়াছ ছিফাত‘ ২/৩৩১; হাদীস নং ৮৯৫। হাদীসের মান, সহীহ)। সংক্ষেপে।

(৩) আকাশ থেকে নাযিল হওয়াঃ হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেছেন

ثم ينزل عيسى بن مريم صلى الله عليه و سلم من السماء فيؤم الناس الخ

অর্থাৎ অতপর ঈসা ইবনে মরিয়ম আকাশ থেকে নাযিল হবেন। তারপর তিনি লোকজনের (মুসলমানদের) নেতৃত্ব দেবেন। দেখুন, ইমাম আবুবকর আহমদ ইবনে আমর আল বাজ্জার (মৃত ২৯২ হিজরী) সংকলিত ‘মুসনাদে বাজ্জার‘ খন্ড নং ১৭ পৃষ্ঠা নং ৯৬; হাদীস নং ৯৬৪২। হাদীসের মান সহীহ, বর্ণনাকারীদের ভেতর ‘আলী ইবনে আল মুনযির’ ব্যতীত সবাই বুখারী ও মুসলিমের রাবী। তবে ‘আলী ইবনে মুনযির’ তিনিও একজনবিশ্বস্ত বর্ণনাকারী। দেখুন, মাজমাউয যাওয়াঈদ, কিতাবুল ফিতান, খন্ড নং ৭। সংক্ষেপে।

(৪) আকাশ থেকে নাযিল হওয়াঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূল (সাঃ) বলেছেন,

ينزل اخى عيسى ابن مريم من السماء على جبل افيق اماما هاديا

অর্থাৎ আমার ভ্রাতা ঈসা ইবনে মরিয়ম আকাশ থেকে ‘আফীক’ নামক পাহাড়ের উপর নাযিল হবেন। দেখুন, ইমাম ইবনে আসাকির সংকলিত ‘তারিখে দামেস্ক‘ – খন্ড নং ৪৭ পৃষ্ঠা নং ৫০৪-৫ ; প্রকাশনী বৈরুত লেবানন। সংক্ষেপে।

(৫) আকাশ থেকে নাযিল হওয়াঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূল (সাঃ) বলেছেন

ينزل اخى عيسى ابن مريم من السماء على جبل افيق اماما هاديا

অর্থাৎ আমার ভ্রাতা ঈসা ইবনে মরিয়ম আকাশ থেকে ‘আফীক’ নামক পাহাড়ের উপর নাযিল হবেন। আরো দেখুন কাঞ্জুল উম্মাল, খন্ড নং ১৪ পৃষ্ঠা নং ৬১৮-১৯; রেওয়ায়েত নাম্বার ৩৯৭২৬। সংক্ষেপে।

(৬) আকাশ থেকে নাযিল হওয়াঃ হযরত হোজাইফা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে

عن رسول الله صلى الله عليه وسلم في قصة الدجال، قال: فإذا كان يوم الجمعة من صلاة الغداة، وقد أقيمت الصلاة، فالتفت المهدي، فإذا هو عيسى ابن مريم، وقد نزل من السماء في ثوبين، كأنما يقطر من رأسه الماء

অর্থাৎ রাসূল (সাঃ) দাজ্জালের ঘটনা বর্ণনার এক পর্যায়ে বলেছেন, কোনো এক জুমার দিন ফজরের সময় যখন (ফজরের) সালাতের জন্য ইকামত দেয়া হবে তখন (প্রতীক্ষিত) ইমাম মাহদী পেছনে ফিরে তাকাতে-ই আচমকা ঈসা (আঃ)-এর দেখা পাবেন। কারণ তিনি সেই মুহূর্তে দুটি কাপড় পরিহিত অবস্থায় আকাশ থেকে (জিবরাইল ফেরেশতার মাধ্যমে – সহীহ মুসলিম, কিতাবুল ফিতান) অবতারণ করবেন। তাঁর মাথা থেকে যেন ফোটায় ফোটায় পানি ঝরে পড়ছে।” দেখুন, আস-সুনানুল ওয়ারিদাহ ফিল ফিতানি ওয়া গাওয়ায়িলুহা ওয়াস সা’আতু ওয়া ইশরাতুহাঃ খন্ড নং ৫ পৃষ্ঠা নং ১১০৫; সংকলক, আল-মুক্বরী আদ-দানী (মৃত ৪৪৪ হিজরী)। সংক্ষেপে।

(৭) ঈসা (আঃ)-কে আকাশে উঠিয়ে নেয়াঃ হযরত উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) রাসূল (সাঃ) এর ইন্তেকালের সংবাদ শুনামাত্র-ই শোকে মূহ্যমানহয়ে বলেছিলেন,

و انما رفع الى السماء كما رفع عيسى ابن مريم عليه السلام

অর্থাৎ নিশ্চয়ই তাঁকে আকাশে উঠিয়ে নেয়া হয় যেমনিভাবে ঈসা ইবনে মরিয়মকে (আকাশে) উঠিয়ে নেয়া হয়েছিল। দেখুন, আল-মিলালু ওয়ান নাহাল, খন্ড নং ৩ পৃষ্ঠা নং ৯; সংকলক, ইমাম শাহরাস্তানী (মৃত ৫৪৮ হিজরী)। সংক্ষেপে।

(৮) আকাশ থেকে নাযিল হওয়াঃ হযরত হোজাইফা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে,

وقد نزل من السماء في ثوبين

অর্থাৎ [… তখন প্রতীক্ষিত ইমাম মাহদী পেছনে ফিরে তাকাতে-ই আচমকা ঈসা (আঃ)-এর দেখা পাবেন] তখন তিনি (ঈসা) দুটি কাপড় পরিহিত অবস্থায় আকাশ থেকে অবতরণ করছেন। দেখুন, ইমাম সুয়ূতী (রহঃ) রচিত ‘আল-আরফুল ওয়ারদী‘ পৃষ্ঠা নং ১৩৮)। সংক্ষেপে।

(৯) আকাশ থেকে নাযিল হওয়াঃ হযরত হোজাইফা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে,

قد نزل من السماء في ثوبين

অর্থাৎ [… তখন প্রতীক্ষিত ইমাম মাহদী পেছনে ফিরে তাকাতে-ই আচমকা ঈসা (আঃ)-এর দেখা পাবেন] তখন তিনি দুটি কাপড় পরিহিত অবস্থায় আকাশ থেকে অবতরণ করছেন। আরো দেখুন, ঈক্বদুদ দুরারি ফী আখবারিল মুনতাজিরঃ খন্ড নং ১ পৃষ্ঠা নং ২৯৫; লিখক, ইমাম ইউসুফ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আলী ইবনে আব্দুল আজীজ আল-মাকদিসি আশ-শাফেয়ী। সংক্ষেপে।

(১০) আকাশ থেকে নেমে আসাঃ  হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি কেয়ামতের দিন আল্লাহর সমীপে কাকুতি মিনতি স্বরে আপনা উম্মতের মুক্তি চেয়ে ফরিয়াদ করবেন এভাবে –

وإن تغفر لهم أي من تركت منهم ومد في عمره حتى أهبط من السماء إلى الأرض لقتل الدجال،

অর্থাৎ  (কুরআনের আয়াতাংশ) وإن تغفر لهم এর মর্মার্থ হচ্ছে, (ঈসা ইবনে মরিয়ম বিচার দিবসে ফরিয়াদ করবেন) আমি যাদের ছেড়ে গিয়েছিলাম, আপনি যদি চান তাদের ক্ষমা(ও) করতে পারেন। আর [ঈসা সবাইকে যখন ছেড়ে গিয়েছিলেন] তখন আল্লাহতায়ালা তাঁর (ঈসা) আয়ুস্কাল দীর্ঘ করে দিয়েছেন। যাতে (শেষ যুগে) তিনি দাজ্জালকে হত্যা করার জন্য ‘আকাশ থেকে‘ পৃথিবীতে নেমে আসতে পারেন। দেখুন, তাফসীরে দুররে মানছূর, খন্ড নং ৫ পৃষ্ঠা নং ৩৫০; সূরা আল মায়েদা দ্রষ্টব্য ; রচিতা, ইমাম জালালুদ্দিন আস-সুয়ূতী (রহঃ)। সংক্ষেপে।

পরিশেষে বলতে পারি, হাদীসগুলোর দীর্ঘ বিবরণ অনুসারে সুস্পষ্ট হয়ে গেল যে, ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে আজ অব্দি ‘আকাশ থেকে’ হযরত ঈসা (আঃ) এর দ্বিতীয়বার আগমন সম্পর্কে যেই আকীদা বিশ্বাস) মুসলিম উম্মাহা’র মাঝে ধারাবাহিকভাবে চালু রয়েছে তা-ই সঠিক ও প্রমাণিত।  তার কারণ, পবিত্র কুরআনের পরেই হাদীসের মর্যাদা। তাই আমরা মুসলমানরা বিশ্বাস করি, রাসূল (সাঃ) থেকে বিশুদ্ধ সনদে যেই হাদীস আমাদের পর্যন্ত এসে পৌঁছেছে তার বিপরীতে অন্য যেই কারো কথা বা ব্যাখ্যা-ই মূল্যহীন সাব্যস্ত হবে। ওয়ামা আলাইনা ইল্লাল বালাগ।    

Share.

Leave A Reply

indobokep borneowebhosting video bokep indonesia videongentot bokeper entotin videomesum bokepindonesia informasiku videopornoindonesia bigohot